শিরোনাম:
ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৮ আশ্বিন ১৪২৮

Bhorer Bani
শুক্রবার, ২৭ আগস্ট ২০২১
প্রথম পাতা » সারাদেশ » লক্ষ্মীপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের দৌড়ঝাপ, চলছে নির্বাচনী আলোচনা
প্রথম পাতা » সারাদেশ » লক্ষ্মীপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের দৌড়ঝাপ, চলছে নির্বাচনী আলোচনা
৩৮৯ বার পঠিত
শুক্রবার, ২৭ আগস্ট ২০২১
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

লক্ষ্মীপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের দৌড়ঝাপ, চলছে নির্বাচনী আলোচনা

---

আমজাদ হোসেন আমু - ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, নির্বাচনী হাওয়া ততই আলোচনায় উত্তাপ ছড়াচ্ছে। নির্বাচন কমিশন থেকে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে এমনটা ঘোষনা দিতে আলোচনা শুরু হয়েছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন ইউনিয়নের সাথে আলোচনা উঠে এসেছে সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়ন।

এখানে নির্বাচনি হাওয়া বইছে এলাকাজুড়ে। দলীয় পতিকে নির্বাচন হচ্ছে তাই দলীয় সরকারে নমীনেশন পেতে জোর লবিং করছে হাফ ডজন চেয়ারম্যান প্রার্থী। তারা সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জেলা থেকে শুরু করে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে দলীয় প্রতিক পেতে। সেই সাথে এলাকাতেও জনসংযোগ চালাচ্ছে।

চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন প্রায় ৩৫ হাজার জনঅধ্যুষিত এই ইউনিয়নটিতে একসময় রাজনৈতিক সহিংসতা মামলা হামলা ও অপরাধীদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত ছিল। সময়ের আবর্তে ক্রমান্বয়ে শান্তি শৃঙ্খলা ফিরে আসতে শুরু করে। শুরু হয় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। জেলা শহর থেকে দূরত্বে অবস্থান হওয়ায় ছোট বড় সকল সমস্যা সমাধানে কুশাখালির সাধারণ জনগণের কাছে গ্রাম্য আদালতই হচ্ছে সর্বোচ্চ ভরসারস্থল। আর এ কারণে এ এলাকার ‘জনপ্রতিনিধি নির্বাচন’ বিষয়ে ইউনিয়নবাসীর আগ্রহ ও উৎসাহ একটু বেশিই।

গ্রাম, পাড়া, মহল্লার, দোকান ও কোলাহলে নির্বাচনের আমেজ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যে গণসংযোগ করে চলেছেন। কুশাখালি একসময়ের বিএনপি জামায়াতের দুর্গ হিসেবে পরিচিত হলেও বর্তমানে সরকারের নানাবিধ উন্নয়ন ও জনমুখী সেবাসমুহ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছায় এ অঞ্চলে আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক বহুগুনে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তবে সরেজমিন ঘুরে এ ইউনিয়নে আসন্ন নির্বাচনে ব্যতিক্রমধর্মী তথ্য, পরিসংখ্যান লক্ষ্য করা গেছে। এলাকাটিতে সরকার দলীয় ‘মনোনয়ন লাভ’ জয়ের প্রাথমিক স্তম্ভ নির্ণীত হলেও ‘অঞ্চল ভিত্তিক’ প্রার্থীর আত্মপ্রকাশ ঘটায় নির্বাচনে ভোটাররা বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারবে আঞ্চলিকতার প্রশ্ন। এই ইউনিয়নের প্রায় সকল চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রায় ৮ টি গ্রাম বা এলাকাভিত্তিক ইউনিয়ন রয়েছে।

গ্রামগুলো যথাক্রমে -কুশাখালি, চিলাদি, কাঠালি, পশ্চিম কল্যানপুর, মদনা, ঘোরারবাগ, চর মটুয়া ও ঝাউডগী। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে আঞ্চলিকতা হবে প্রার্থীদের বড় পুঁজি আর জয়ের চুড়ান্ত মাত্রা। একেক প্রার্থী একেক অঞ্চলের হওয়ায় যার যার অঞ্চলে তাঁর তাঁর ভোট ব্যাংক রয়েছে এমনটাই ধারনা করছে।

কুশাখালির চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য আলোচনায় শীর্ষে রয়েছেন যারা- ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান নুরুল আমিন (গ্রাম- চিলাদি) চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির সদস্য এডভোকেট শামসুল আলম (গ্রাম-পশ্চিম কল্যাণপুর), ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান মেম্বার (গ্রাম-কাঁঠালি), সাবেক প্রয়াত চেয়ারম্যান নুরুল আমিনের পুত্র জনতা ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক মোঃ রাফি নাহিদ (গ্রাম-মদনা), কুশাখালি গ্রামের রয়েছেন - ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি মোশাররফ হোসেন, সাবেক সদর উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি আবদুল্লাহ আল আমিন বাহার চৌধুরীর জৈষ্ঠ পুত্র সাবেক ছাত্রনেতা নাজমুল হক তুহিন চৌধুরী, ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি নাসির উদ্দীন, শোয়াইব হাসান মিন্টু, ইসলামি আন্দোলনের নেতা নুরুল আলম মুসা, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম এম আজিজের পুত্র অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মোঃ কফিল উদ্দিন স্বপন, বিএনপি সমর্থিত সাবেক চেয়ারম্যান সালাহউদ্দিন মানিক (গ্রাম-ঘোরার বাগ পশ্চিম কল্যাণপুর) প্রমুখ।

অঞ্চলভিত্তিক চেয়ারম্যান প্রার্থী থাকার কারণে ভোটারদের দৃষ্টি “আঞ্চলিক নেতা” নির্বাচিত করা।যদিও আওয়ামী দলীয় মনোনয়ন লাভকৃত প্রার্থী সকল আওয়ামী প্রার্থীদের এক করার চেষ্টা চালাতে চেষ্টা করতে পারেন।

সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নে জোরালো লবিং তদবির করেছেন বর্তমান চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, এডভোকেট শামসুল ইসলাম, আবদুর রহমান, মোশারফ হোসেন, তুহিন চৌধুরী।

চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নুরুল আমিন চেয়ারম্যান জানান,’ দীর্ঘ দু’যুগ ধরে দল করে আসছি, দুর্দিনে দলের জন্য কাজ করতে গিয়ে মামলা হামলার শিকার হয়েছি। তার সুফল হিসেবে দল মূল্যায়ন করে দলীয় মনোনয়ন দিলে গত নির্বাচনে জনগণ চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন। তিনি সরকারের সকল উন্নয়ন মূলক বরাদ্দ সুষমভাবে জনগনের মাঝে বন্টন করেছি। ইউনিয়নের সকল রাস্তা ঘাট পুল কালভার্ট মসজিদ মাদ্রাসা স্কুল সব প্রতিষ্ঠানে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। তিনি আরো বলেন, তার বিরুদ্ধে কোনো অনিয়মের অভিযোগ নেই। দল এবারের নির্বাচনে ও মূল্যায়ন করবেন বলে তিনি আশাবাদী।

প্রার্থী এডভোকেট শামসুল ইসলাম জানান, “দলের জন্য শ্রম ঘাম ও আর্থিক ব্যয় করছি। তৃণমূল নেতাকর্মীর দুঃখ দুর্দশায় সবসময় এগিয়ে এসেছি।সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড, কর্মপরিকল্পনা, জনকল্যাণে অবদানসমুহ সাধারন জনগণের মাঝে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। দলের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি । মনোনয়ন পাবার জন্য শতভাগ আশা রাখছি। মনোনয়ন পেয়ে জনরায়ে নির্বাচিত হয়ে পশ্চাৎপদ এ ইউনিয়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও অবকাঠামো উন্নয়নে ভূমিকা রাখবো।

মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশি ছিলাম। তখন দল উপযুক্ত মনে করে অন্যজনকে মনোনয়ন দিয়েছিল, তবে তখন আশ্বস্ত করা হয়েছে যে,পরবর্তী সময়ে মূল্যায়ন করা হবে। সে অনুযায়ী দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের জন্য কাজ করেছি। আশা করি দল যথাযথ মূল্যায়ন করে দলীয় মনোনয়ন দিবে।

আবদুর রহমান মেম্বার জানান, দলের তার ত্যাগ সর্বোচ্চ। তিনি দুঃসময়ে নির্যাতিত হয়েছেন।আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রেখতে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। সংগঠন সঠিক মূল্যায়ন করবে, তিনি আশা করেন। দল মূল্যায়ন করলে জনগণের ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে কুশাখালিকে দরিদ্রমুক্ত উন্নত ও আধুনিক ইউনিয়নরুপে উপহার দেবেন।

সাবেক ছাত্রনেতা তুহিন চৌধুরী জানান, পারিবারিকভাবেই তারা আওয়ামিলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তার বাবা বাহার চৌধুরী উপজেলা কৃষকলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।

কুশাখালি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী সমর্থকদের বিভিন্ন বিপদে তাদের পরিবার সব সময় পাশে থাকার চেষ্টা করে।নবিএনপি জামায়াতের হামলা মামলা থেকে এ অঞ্চলের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে রক্ষা নিমিত্তে তার পরিবার শেষ আশ্রয়স্থল। বিএনপি জোটের সময় ডজনখানেক মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছে তার পরিবারের লোকজন। জনগণের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে যুগ যুগ ধরে জনতার সাথে মিশে রয়েছে তার পরিবার।

তিনি আরও বলেন, জনসেবাই তার পরিবারের মূল লক্ষ্য। সরকারের সকল উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড আ’ম জনতার মাঝে প্রচার প্রচারণায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। দলীয় নমীনেশন চাচ্ছি, আশা করছি বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে দল সঠিক মূল্যায়ন করবে। দলীয় মূল্যায়নের আগামীর কুশাখালী হলে জেলা মাদক, সন্ত্রান ও চাঁদাবাজ মুক্ত কুশাখালী ইউনিয়ন। এছাড়াও নারী উন্নয়নে কাজ করবো..নারী জাগরনে অগ্রণী ভূমিকা থাকবে,ইনশাআল্লাহ।

প্রভাষক রাফি নাহিদ জানান,” তার বাবা মরহুম নুরুল আমিন চেয়ারম্যান এই ইউনিয়নের একজন জনপ্রিয় চেয়ারম্যান ছিলেন। তাঁর অবদান আজও জনগণ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। তিনি ছিলেন জনবান্ধব নির্লোভ ব্যক্তি। তিনি তার বাবার শেষ ঠিকানা কুশাখালী ইউনিয়নকে একটি উন্নয়নমুলক ইউপি ঘোষনায় কাজ করতে প্রার্থি হচ্ছে। জনগন সঠিক মূল্যায়ন দিবেন, এমনটাই প্রত্যাশা।



রামগতি-কমলনগরে জেলেদের অধিকার আদায়ে এনজিও (কোডেক) মতবিনিময়
অবিরাম কাজ করছে ভূমি অফিস সহকারি মাহমুদা
কমলনগরে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
লক্ষ্মীপুরে মেঘনার ভাঙন রোধে ঢাকায় মানববন্ধন
লক্ষ্মীপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের দৌড়ঝাপ, চলছে নির্বাচনী আলোচনা
লক্ষ্মীপুরে বিআরডিবি কর্মকর্তার মায়ের ইন্তেকাল
বিশ্বের ছোট গরু “রানী” মারা গেছে
কমলনগরে খালেদা জিয়া’র জন্য দোয়া কামনা করেন যুবদল
কমলনগরে ২০ বছরের বন্ধ সড়ক দখলমুক্ত করেন প্রশাসন
পাহাড় ধসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ০৮ জন নিহত
বাগেরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় ৬ জন নিহত
ঈদুল আযহা’র শুভেচ্ছা জানিয়েছে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা সাজু
কোথায় লুকাবে…
লকডাউনে কঠোর পদক্ষেপে কমলনগর প্রশাসন
বাংলাদেশ মাদ্রাসা কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারিক কমিটিতে আহবায়ক আনোয়ার, সদস্য সচিব আরাফাত