শিরোনাম:
ঢাকা, শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ১৪ মাঘ ১৪২৯

Bhorer Bani
বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২
প্রথম পাতা » খেলাধুলা » গোল রক্ষক রুপনা’র জরাজীর্ণ পরিবার
প্রথম পাতা » খেলাধুলা » গোল রক্ষক রুপনা’র জরাজীর্ণ পরিবার
২২৫ বার পঠিত
বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

গোল রক্ষক রুপনা’র জরাজীর্ণ পরিবার

---

বিশেষ প্রতিবেদন : গোল রক্ষক রুপনার ঘরে থাকার জায়গা হয় না। থাকে ভাইয়ের বাড়ি।তার মা বাম চোখে সম্পূর্ণ দেখেন না। ডান চোখে ঝাপসা দেখেন। দু পা মাঝে মাঝে ফুলে যায়। টাকা নেই ফলে ডাক্তার দেখাতে পারেন না। তবু্ও বাঁচার তাগিদে প্রতিবেশী ক্ষেত খামারে দৈনিক মজুরির কাজ করেন সাফ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নের সেরা গোল রক্ষক রূপনার মা কালাসোনা চাকমা (৬৫)।

এতে তাঁর দৈনিক আয় হয় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। এ টাকা সংসার খরচে যোগান দেন কালা সোনা। এভাবে চলে তাঁর জীবন।

রাঙামাটির নানিয়াচর উপজেলা ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের বুইয়ো আদাম গ্রামের জরাজীর্ণ বাড়ির সামনে কথা হয় রূপনার মায়ের সাথে।

তিনি বলেন, খুব কষ্টে দিন পার করি। মাঝে মাঝে রূপনা হাজার দেড়েক টাকা পাঠায়। ৬ মাস পর বিধবা ভাতা পায়। সরেজমিন দেখা যায়, বাঁশের খুটি আর বাঁশের বেড়ার ঘরটি বেশ ঝরাজীর্ণ। এ ঘরে ছেলে বউ ও দুই নাতনির নিয়ে রূপনাদের সংসার।

রূপনার মা বলেন, রাতে তিনি মাটির উপর ফ্লোরিং করেন। বৃষ্টি হলে বাড়িতে পানি ঢুকে মাটির ফ্লোর ভিজে যায়। ঘুম হয় না সেদিন। রূপনা আসলে বাড়িতে থাকার জায়গা হয় না। বড় ভাইয়ের বাড়িতে থাকতে হয়।

রূপনার বড় ভাই অটিল চাকমা (২৮) বলেন, আমি ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশুনা করেছি। এখন দৈনিক মজুরি কাজ করি। আমার দুই ছেলে মেয়ে আর স্ত্রীর খরচ্ও চালাতে পারি না। অর্থের অভাবে মাকে ডাক্তার দেখাতে পারি না।

রূপনার আরেক বড় ভাই শান্তি জীবন চাকমা (৩৫) বলেন, আমি ৩য় শ্রেণী পর্যন্ত পড়েছি। এখন দৈনিক মজুরি কাজ করি। রূপনা তো সারাজীবন ফুটবল খেলতে পারবে না। তার জন্য একটি সরকারী চাকুরী হলে ভাল হয়। না হলে সেও আমাদের মত কষ্ট পাবে।

রূপনার মা বলেন আমার সর্বমোট ৪ সন্তান। দুই ছেলে দুই মেয়ে। রূপনা সবার ছোট। রূপনা যখন আমার পেটে তখন তার বাবা মারা যায়। খুব অভাবের সংসার আমার। আমার কষ্টের শেষ নেই। ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া শেখাতে পারিনি। আমার মেয়ের এতটুকু যাওয়ার পেছনে ঘাগড়ার বীরসেন দা, শান্তিমনি বাবুদের অবদান সবচেয়ে বেশী। তারা আমার মেয়েকে ঘাগড়ায় নিয়ে ফুটবল খেলা শিখিয়েছেন।

রূপনার অবিভাবকের প্রয়োজন হলে আমাকে মাঝে মাঝে আমাকে ঢাকায় যেতে হয়। আমাদের কোন টিভি না থাকায় মেয়ের খেলা দেখতে পারি না। আমাদের জন্য একটি ঘর ও রূপনার জন্য একটি সরকারী চাকুরীর ব্যবস্থা করা হলে ভাল হয়।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, আমি রূপনাদের বাড়িতে গিয়েছি। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেড় লাখ টাকা সহায়তা দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে আমাকে ফোন করে রূপনাদের বাড়ি নির্মাণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমি শিগগির বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করব। তাছাড়া রূপানাদের বাড়ি যেতে একটি সাকো পার হতে হয়। এখানে একটি সেতু নির্মাণের জন্য আমি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলব। সেখানে বড় সেতু নির্মাণ করতে হবে।



কমলনগরে যক্ষা নিয়ন্ত্রণে ব্র্যাক’র ওরিয়েন্টেশন
রায়পুরে চাঁদা দাবির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
সাবেক সংসদ আশরাফ উদ্দীন নিজান’র সুস্থতায় দোয়া কামনা
জাতীয় ইমাম সমিতির সভাপতি মাওলানা গিয়াস উদ্দিন
মেয়ের জামাই’র দাপটে মিথ্যা মামলায় হয়রানি, রেহাই পেতে সংবাদ সম্মেলন
লক্ষ্মীপুরে দখলের কবলে দাপুটে জারিরদোনা খাল অস্তিত্ব হারাচ্ছে
‘আ.লীগের কার্যালয় ভাঙচুর’ কমলনগরে বিএনপির ২১৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
লক্ষ্মীপুরে আ.লীগ কার্যালয়ে হামলা, আসামি বিএনপি’র ১৮৬ নেতা-কর্মী, সাবেক এমপি’র নিন্দা
জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণি সংরক্ষণে অ্যাওয়ার্ড পেলেন সাংবাদিক সাইফুল
কমলনগরে ছাত্রলীগের সভাপতি রুবেল, সম্পাদক হারুন
কমলনগরে তৃণমূল ছাত্রলীগের ভরসা নুর উদ্দিন রুবেল
কমলনগরে বই বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক
আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ওসি সোলাইমান
প্রশংসা, ভালোবাসায় মানবিক ইউএনও’র বিদায়
আলম মাঝির নদী ভাঙনের গল্প